ধূসর সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ
ঝাউবনের বুবুনকে দেওয়া ঋণ ছিল
জানুয়ারির একদিন নতুন স্বাক্ষর নিঃস্বতা এনে দিল
বহুকাল পৃথিবীতে আছি
বহুকালের স্মৃতি -
বছর পেরিয়েছে আকাশ মেপে
বাল্যে, মাংসের দোকানে তিন বুড়োর গল্প শুনে
কল্লোলিনী কলকাতার হলূদ বিষণ্ণ ছিন্নপত্র
আর পাখির পালক সংগ্রহ করে
ট্রেনের জানালা দিয়ে আস্থার গৃহযুদ্ধ শুনে।
পথে হাঁটছি
হাঁটছে রাক্ষসসমাজ
আয় রোদ্দুর, তোর জন্মদিনে একটা দ্বান্দ্বিক ছড়া লিখি
দীর্ঘায়ুর মৃত্যু কামনায়
মহামানব তীরে মন্দ্রিত স্বরে তার শেষ কথা শুনে
দেখা, না দেখা ছবি
পথের থিয়েটার, থিয়েটারের পথে...
বৃহদারণ্যক জ্যোৎস্নায় একগুচ্ছ আদিম দেবদেবী
কালো জোয়ারকে করে আহ্বান
আমার শত্রু
সময়ের মুখোশের আড়ালে এক রুগ্ন শার্দূল
সূর্যাস্তের মোড়লের মুখে ভাত তোলে
ভয়ের ক্রমশ পদশব্দ শোনা যায়
বিষন্নতার বিষাদরজনী পালন হয়।
বেদের পরম্পরা রক্ষা করতে
নক্ষত্রের আকাশে অাঙুল শুধু পুড়ে যাচ্ছে
সপ্ত ঋষিরা আজও প্রশ্নচিহ্ন?
মানুষ দেখলে ভয় লাগে
রাজনীতি তাই বুঝি না
অন্ধকারে রামধনুর ছবি দ্যাখে স্বাধীনতা
সভ্যতার সংকটে রাস্তায় নেমেছে যারা
তারা পুজোর গান করে
কুঠারের অক্ষমতার ফলে সুখের কথা -
ইমনের লগ্নে...
মাঝরাতে রেডিও স্টেশনে অশরীরী আকাশ দখল করল
একার কাহিনী বলতে
এমনই জীবন তার
অন্ধবিচার, দেবতা, নাবিক, ছাপ্পা দলিল
আমার গোপন বাড়িতে ভরে ঝরাপাতা,
অরুন্তুদ যন্ত্রণার।
উজানে একা আমি আজ
তবুও জায়গাটা ক্রমশ ছোট হয়ে যাচ্ছে
বিকেল করে জীবনের খেলা
আকাশের দিকে তাকিয়ে আর কবিতা আসে না
এরই নাম হয়তো ধুসরতা
স্মৃতিমাত্রার স্বরলিপি
আত্নশোক
চিত্রপট
তুমি ও আমরা, আমরা ও ওরা - ছাপ্পা ভোট।
ঘুম ভেঙে গেলে কাঁপন দিয়ে আভরণ সরে যায়
এ নক্ষত্রলোকে চরৈবেতির ছক করে ছদ্মবেশে কিছু লোক
পুজোর খবর আনে
একটা ছেলে লাশকাটা ঘরে শুয়ে থাকে
সম্পর্ক?
আত্মজ?
না পরিবর্তন?
অন্ধ জানালা, বন্ধ দরজা, গন্ধ রান্না
সন্ধ্যার সনেট, সস্তা দর্শন, ব্রতকথা
চলছে, চলবে...
হলূদ বালুতটে আজ মন খারাপের দিন
ধ্রুবপদে অশ্রুরাগিনী, যুদ্ধশেষের ধুসর ছাইয়ের
কখনও বা উৎসব
এই তো বেশ আছি!
বৃষ্টির বিশ্বাস, উকুন, অভিলাষ আর শকুন নিয়ে
যাদুপরির সাথে নিভৃত সংলাপে -
"বেঁচে থাকা মানে ধীর পায়ে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া।"
Comments
Post a Comment