মানুষ জন্ম
শত জন্মের থাকলে ভাগ্য মানুষ ছানা হয়ে জন্মানো যায়
আমি মা কুকুরের শেষ কুকুরছানাটাকে বললাম
বাকিগুলো ঠান্ডায় অভুক্ত মারা গেছে
মা কুকুরটা মারা গেছে
কুকুরের বাচ্চাটার তখন শেষ অবস্থা
তাও কোনক্রমে আমার ভালোবাসার স্বীকৃতি ক্ষীণভাবে লেজ নেড়ে হাল্কা চেটে দিল হাতে
তাড়াতাড়ি বাড়ি এনে মুড়ে দিলাম চাদর কম্বলে
গরম দুধ দিলাম
প্রাণটা বাঁচাতে পারলাম না
ভেট এসে ফিরে গেল
ওর বাটিতে পড়ে থাকা দুধটা দিকে তাকিয়ে
হঠাৎ একটা ছেলে বাছুরের অভুক্ত মুখ ভেসে উঠল
মানুষ চিজ পনীর আইসক্রিম সন্দেশ খাবে
তাই ওকে বেচে দেওয়া হল কশাইয়ের কাছে
জন্মের প্রথম দিনই
মা গরুটা ওর পিছন পিছন ছুটেছিল অনেকক্ষণ
যখন ওকে নিয়ে যাচ্ছিল কেড়ে কশাইয়ের কাছে
মা গরুটা তবুও দুধ দিয়েছিল
মরা বাচ্চার ঝোলানো মাথাটা দেখে
সেই দুধের সন্দেশ দেবতারা প্রসাদ করেছিল
সেই বাছুরের হালাল মাংসের সুস্বাদু বিরিয়ানি হয়েছিল
কত লোক চেটেপুটে খেয়েছিল সেই বাছুরটার মায়ের দুধের তৈরী ঘি, পনীর, চিজ, আইসক্রিম
আর সেই মায়ের সন্তানের মাংসের বিরিয়ানি
ফিরে এলাম
কুকুরছানাটাকে কবর দেব?
নাকি ভাগাড়েই ছুঁড়ে ফেলে দেব মানবতা?
Comments
Post a Comment