হিরণ্যকশিপু

পাথর সেদ্ধ হলে ফ্যান গেলে নিও,ছেলেমানুষ ভুলে যেও না
গাছের নিচে পাতার শোকে মরা পোড়াতে চাই না,
কারণ কথা বলে। 

এই দীর্ঘ সংসারের জামা কতদিনে ছেঁড়ে?
তবে সেলাই না, আমি নতুন চাই
সময় হয়েছে, তাই ভিক্ষা করতে বেরোই
এই পরিশ্রম দেখে মানুষ ভয় পেয়েছে। 

হিরণ্য জলে তোমার স্মৃতিবাহী চেতনা ভেসে যায়
কি জানে কোন স্রোতে জীবনের ক্লান্তি,
ভিক্টোরিয়ান মরালিটি কাছে এসে যায়,
কাছে আসো না তুমি।

আমি মৃত্যুর পাতে ফল-বাতাসা-চন্দন-মিষ্টি দিয়েছি
প্রসাদ করে দিও
কাপড় শুকিয়ে গায়ে, আমার জটিল সন্তান
ছেলে-ভোলানো ভুলিয়েছি তোমাকে
সহজ ছড়ায় কিছুটা 
প্রীতিভাজনেষু হলাম
বুক পেতে দেখলাম ইচ্ছামতী ধুয়ে গেল 
বালিতে করা প্রাসাদআগুনে পুড়ল পায়ের দাগ। 
ভয় পিছু নিয়েছে লজ্জা নেই 
তাই কারণ নেই, অকারণও নেই
আমাকে দাও তুমি, স্রেফ দুকোল। 
জন্মদিনের কেকে শেকড়-বাকড় কে রেখেছে?
জঙ্গলে ঈশ্বরের ঘর কে করেছে?
তার অবিচলতা থেকে পরিত্রাণ নাই
ইহাই অনন্ত খুকি
বিবাহ থেকে বিসর্জন মনে হয়, 
কিছুই বোঝো না, তবু বলি
প্রচ্ছন্ন উপদেশে বেঁচে আছে।
বিড়াল যেমন সুদর্শন পোকা ভালোবাসে
সংসারী সন্ন্যাসীরাও ভালোবাসা খোঁজে 
পুরনো দুঃখ জাবর কাটে
এপিটাফ শাক্য
দাও আরও দুঃখ। 
বিরহে একা রেখে সুখে থাকো
উজ্জ্বলতা অল্পই দুঃখের অখণ্ড ভুল, 
যেখানে দাঁড়াই সেখানেই ধ্বংসের ছাই ওড়ে
আমি সাফোকেট করি। 
#
শতাব্দীর অন্ধকার দানা বেঁধে আছে
একটি চার হাজার বছরের প্রাচীন ছবিতে 
ধর্মালয়ে যাবার সময় আমি দেখেছি
এক চিলতে প্রদীপে ফুঁ মেরে দিয়েছে পূজারী। 
পূজনীয় চিরঅগ্নি, আমার বেশি কাছে এসো না
সন্ধ্যায় লিচু চুরি করে আমি কারাগারে আছি
ওইসব আধ্যাত্মিকতা আমার জন্য নয়
দুই চড়ুই মিলে পাতালের সিঁড়ি খুঁজে বের করেছি
সাঁকো বেধেছি, ডিঙা ফেলেছি
সমাজের পারান্তে যাব
হে গঙ্গে, আমার বেশি কাছে এসো না
ওইসব আধ্যাত্মিকতা আমার জন্য নয়
আমি নোংরা লোকেদের নিয়ে কবিতা লিখি।
ঘুমন্ত ছেলের হাতে মর্মরমূর্তি জাগিও না,
নিজেই বানায়,ভেঙেও ফেলে বড্ড অহংকারী। 
এ বয়সে বড় খিদে
পিজা খাবো চলো 
গম কাটা শেষ হলেই শব্দ টাঙাতে যাবো।
কবিতা এভাবেই আসে
ঈশ্বরপাখি ওড়ে এক কুষ্ঠরোগীর শিয়রে 
গাছের কথা শোনো
প্রাসঙ্গিক শুধু ঈশ্বরত্ব, নাস্তিকরা ফেউ...



Comments

Popular posts from this blog

মাকড়সা

ভূতের সাথে আড্ডা

নিচুজাত